মাথা ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, কোমর ব্যথা, পিএলআইডি সমস্যা, হেড ইনজুরি , স্পাইন ইনজুরি , স্পাইনের রড-স্ক্র ফিক্সেশন, মস্তিষ্ক - স্নায়ু - মেরুদণ্ড ব্যথা, স্পাইনাল টিউমার, ব্রেইন টিউমার, প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত, স্ট্রোক, হাত - পায়ে ব্যথা, হাতে পায়ে ঝিমঝিম ভাব , শিশু নিউরোসার্জারি , ভাসকুলার নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞ ও নিউরোসার্জন।

Dr. Aminur Rahman's

Nurosolution

ডাঃ আমিনুর রহমান'স

নিউরোসলুশন

হঠাৎ করে হাত দিয়ে লিখতে না পারা । Writers Cramp. Focal Hand dystonia

18 Nov 2025

হঠাৎ করে হাত দিয়ে লিখতে না পারা । Writers Cramp.  Focal Hand dystonia

রাইটারস ক্র্যাম্প  (Writer’s cramp) 

এটি ফোকাল হ্যান্ড ডিস্টোনিয়া— অর্থাৎ হাতে লেখালেখির মতো নির্দিষ্ট কাজে অতিরিক্ত মাংসপেশীর সংকোচন, কাঁপুনি বা অস্বাভাবিক পজিশন তৈরি হওয়া।


Writer’s Cramp কি ?

* এটি নিউরোলজিকাল মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার।

* সাধারণত লেখা, সাইন করা, আঁকা, বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সময় হঠাৎ হাত শক্ত হয়ে যাওয়া, আঙ্গুলে খিঁচ ধরা, কাঁপুনি, ব্যথা বা হাত অস্বাভাবিকভাবে মোচড়ানো—এসব হয়।

* শুরুতে শুধু লেখার সময় হয়, পরে অন্যান্য সূক্ষ্ম কাজেও দেখা দিতে পারে।

দুই ধরনের Writer’s Cramp

১। Simple Writer’s Cramp

* শুধুমাত্র লেখার সময় সমস্যা হয়।

* কলম ধরলে হাত শক্ত হয়ে যায়, লেখা বাকা হয়, গতি কমে যায়।

২। Dystonic Writer’s Cramp

* লেখার বাইরে অন্যান্য কাজেও সমস্যা ছড়িয়ে পড়ে (যেমন: দাঁত ব্রাশ, কাপড় ধোয়া, চামচ ধরা)।

* হাত বেশি মোচড়ায় ও কাঁপে।

 

কারণ (Possible causes)

*Basal gangliasensorimotor processing-এর অসামঞ্জস্য।

* হাতে অতিরিক্ত repetitive কাজ—অনেকক্ষণ লেখা, টাইপ করা।

* স্ট্রেস বা অতিরিক্ত চিন্তা হলে উপসর্গ বাড়ে।

*অনেকের ক্ষেত্রে জেনেটিক প্রবণতা থাকতে পারে।

রাইটারস ক্র্যাম্প হওয়ার আগে, হাতের লেখা । 

 

রাইটারস ক্র্যাম্প হওয়ার পরে হাতের লেখা 

 

রোগ নির্ণয় (Diagnosis)

Writer’s cramp সাধারণত clinical diagnosis
ডাক্তার সাধারণত—

*লিখতে বললে হাতের অস্বাভাবিক পজিশন ও muscle contraction বোঝা যায়।

*Neurological examination করা হয়।

*EMG (Electromyography) কখনো করা যেতে পারে।

*অন্য কারণ排 exclude করতে কখনো MRI brain করা হয়, কিন্তু বেশিরভাগ সময় দরকার হয় না।

চিকিৎসা (Treatment)

Writer’s cramp এর শতভাগ নিরাময় নেই, তবে উপসর্গ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

১। Botulinum toxin (Botox) injection

* সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা।

* অতিরিক্ত overactive মাংসপেশীকে শান্ত করে।

* ৩–৪ মাস পরপর দেওয়া লাগে।

২। Occupational / Hand therapy

* বিশেষ অনুশীলন (sensorimotor retraining)

* Alternate writing technique

* Modified pen grip, soft or thicker pen ব্যবহার

* লেখার সময় বিরতি দেওয়া

৩। Oral medication (কিছু ক্ষেত্রে)

* Anticholinergic drugs (যেমন trihexyphenidyl)

* Muscle relaxants
তবে এগুলোতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হওয়ায় সবাইকে দেওয়া হয় না।

৪। Stress management

স্ট্রেসে উপসর্গ বাড়ায়, তাই রিল্যাক্সেশন, breathing exercise সাহায্য করতে পারে।

৫। Rarely—Surgery

Deep Brain Stimulation (DBS) কেস-টু-কেস ভিত্তিতে খুব জটিল/রিফ্র্যাক্টরি রোগে বিবেচনা করা হয়।

 

ডাঃআমিনুর রহমান। ব্রেইন, স্পাইন অ্যান্ড ট্রমা স্পেশালিস্ট,  নিউরোসার্জন । ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।